, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জেন জি কেন ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করছে? মাদক ও মদের আড্ডায় বেসরকারি কর্মকর্তারা, অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি ঘিরে রহস্য! দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলার দায় স্বীকার হুতিদের প্রায় ৮ ঘণ্টার বাগেরহাট ও খুলনা সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা করলে বিএনপির নেতাকর্মীরাও ছাড় পাবে না: প্রতিমন্ত্রী এটিই কি মিমির অবিবাহিত জীবনের শেষ দুর্গাপূজা? বিকিনি পরতে অস্বস্তি হয়: রাশমিকা ভারতে বিশ্বের বৃহত্তম তেল শোধনাগার পরিদর্শনে রুবিও, কিন্তু কেন? আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের নির্দেশনায় জ্বালানি সহযোগিতা পাচ্ছে বাংলাদেশ মঈন খান হাসপাতালে ভর্তি, দেখতে গেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিশিষ্ট ইসলামী ব্যক্তিবর্গের সাক্ষাৎ

  • প্রকাশের সময় : ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিবর্গের একটি প্রতিনিধিদল। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয় এ সাক্ষাৎ।

এতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহ্-র নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতী হারুন ইজহার ও মাওলানা মীর ইদরীস নদভি; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা রফিকুল ইসলাম; জাতীয় ইমাম খতীব কাউন্সিলের কো-অর্ডিনেটর মাওলানা ফয়সাল, খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন ও কারাগারে দুঃসহ বন্দিজীবনের বেদনার স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ আমাদের দেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন আমরা যেনো ঐক্যবদ্ধভাবে তা কাজে লাগাতে পারি।’ তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন আর যেনো দেশে কখনো ফিরে না আসে এবং ধর্মের নামে কেউ যেনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে – সে ব্যাপারে সবার সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামি পন্ডিত ও আলেম-ওলেমাদের খুব সম্মান করতেন। ইসলামের প্রতি মমতাবোধ থেকে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিস্‌মিল্‌লাহির্‌-রাহ্‌মানির্‌-রহিম’ সংযোজন করেন। এছাড়া আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করেন।

তিনি বলেন, তিনি এখন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক মানুষ। তবে ইসলামী মূল্যবোধ ও শরীয়ায় আঘাত আসে এমন কোনো কাজ যাতে কেউ না করে তা তিনি লক্ষ্য রাখবেন।

প্রতিনিধিদলটি মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ও উন্নত দেশ থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অনুদান সহায়তা আনার ব্যাপারে তাদের আরবী ভাষা ও যোগাযোগের পারদর্শিতা এবং ব্যক্তিগত সংযোগ কাজে লাগানোর অনুরোধ করেন। রাষ্ট্রপতি এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগের পরামর্শ দেন এবং এ ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মাদ্রাসা ও ফটিকছড়িতে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসা সফরের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি সুবিধাজনক সময়ে মাদ্রাসাগুলিতে সফরের ও হেফাজতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়ে তার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব।

জেন জি কেন ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করছে?

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিশিষ্ট ইসলামী ব্যক্তিবর্গের সাক্ষাৎ

প্রকাশের সময় : ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিবর্গের একটি প্রতিনিধিদল। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয় এ সাক্ষাৎ।

এতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহ্-র নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতী হারুন ইজহার ও মাওলানা মীর ইদরীস নদভি; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা রফিকুল ইসলাম; জাতীয় ইমাম খতীব কাউন্সিলের কো-অর্ডিনেটর মাওলানা ফয়সাল, খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন ও কারাগারে দুঃসহ বন্দিজীবনের বেদনার স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ আমাদের দেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন আমরা যেনো ঐক্যবদ্ধভাবে তা কাজে লাগাতে পারি।’ তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন আর যেনো দেশে কখনো ফিরে না আসে এবং ধর্মের নামে কেউ যেনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে – সে ব্যাপারে সবার সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামি পন্ডিত ও আলেম-ওলেমাদের খুব সম্মান করতেন। ইসলামের প্রতি মমতাবোধ থেকে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিস্‌মিল্‌লাহির্‌-রাহ্‌মানির্‌-রহিম’ সংযোজন করেন। এছাড়া আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করেন।

তিনি বলেন, তিনি এখন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক মানুষ। তবে ইসলামী মূল্যবোধ ও শরীয়ায় আঘাত আসে এমন কোনো কাজ যাতে কেউ না করে তা তিনি লক্ষ্য রাখবেন।

প্রতিনিধিদলটি মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ও উন্নত দেশ থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অনুদান সহায়তা আনার ব্যাপারে তাদের আরবী ভাষা ও যোগাযোগের পারদর্শিতা এবং ব্যক্তিগত সংযোগ কাজে লাগানোর অনুরোধ করেন। রাষ্ট্রপতি এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগের পরামর্শ দেন এবং এ ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মাদ্রাসা ও ফটিকছড়িতে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসা সফরের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি সুবিধাজনক সময়ে মাদ্রাসাগুলিতে সফরের ও হেফাজতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়ে তার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব।