, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জেন জি কেন ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করছে? মাদক ও মদের আড্ডায় বেসরকারি কর্মকর্তারা, অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি ঘিরে রহস্য! দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলার দায় স্বীকার হুতিদের প্রায় ৮ ঘণ্টার বাগেরহাট ও খুলনা সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা করলে বিএনপির নেতাকর্মীরাও ছাড় পাবে না: প্রতিমন্ত্রী এটিই কি মিমির অবিবাহিত জীবনের শেষ দুর্গাপূজা? বিকিনি পরতে অস্বস্তি হয়: রাশমিকা ভারতে বিশ্বের বৃহত্তম তেল শোধনাগার পরিদর্শনে রুবিও, কিন্তু কেন? আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের নির্দেশনায় জ্বালানি সহযোগিতা পাচ্ছে বাংলাদেশ মঈন খান হাসপাতালে ভর্তি, দেখতে গেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

জিম্বাবুয়েকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বাংলাদেশের ‘উপকার’ করল আফগানিস্তান

  • প্রকাশের সময় : ০১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ পড়া হয়েছে

ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। ব্যাট হাতে সেদিকুল্লাহ আতলের সেঞ্চুরি ও ইব্রাহিম জাদরানের ৯০ রানের ইনিংসের পর বল হাতে রশিদ খানের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। এই জয়ে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য খুলে দিয়েছে সম্ভাবনার দরজা।

ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ২৯৪ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০২ রান করেন সেদিকুল্লাহ আতল। ১১০ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান এই বাঁহাতি ব্যাটার। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক। অন্যদিকে, ইব্রাহিম জাদরান ৯৬ বলে ৯টি চার ও ২টি ছক্কায় করেন ৯০ রান।

দ্বিতীয় উইকেটে আতল ও জাদরান মিলে ১৪০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। তাদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের ভিত পায় আফগানিস্তান। তবে জাদরান আউট হওয়ার পর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। অধিনায়ক রহমত শাহ ৭ এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৮ রান করে ফেরেন।

এক প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়লেও দৃঢ়তা ধরে রাখেন আতল। হাসমতউল্লাহ শাহিদির সঙ্গে ৪২ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ বাড়ান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪৪তম ওভারে তিন রান নিয়ে শতক পূর্ণ করেন আতল। পরে তিনি আউট হলে আফগানিস্তানের ইনিংসের গতি কমে যায়। জিম্বাবুয়ের হয়ে আর্নেস্ট মাসুকু ও ব্র্যাড ইভান্স ৩টি করে উইকেট নেন। ব্লেসিং মুজারাবানি পান ২টি উইকেট।

২৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। মাত্র ৪৩ রানেই ৪ উইকেট হারায় তারা। ব্রায়ান বেনেট ৩১ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। পরে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্লের জুটি দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখায়। দুজন মিলে ১১২ বলে ৬৪ রান যোগ করেন।

তবে রশিদ খানের ঘূর্ণিতে সেই প্রতিরোধও ভেঙে পড়ে। ৮ ওভার ১ মেডেন বল করে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন এই তারকা লেগ স্পিনার। তার বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায়। শেষ ৬ উইকেট হারাতে দলটি মাত্র ২৯ রান যোগ করতে পারে। শেষ পর্যন্ত ১৩৬ রানেই অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজা করেন দলের সর্বোচ্চ ৪৮ রান, আর বার্লের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান।

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের জয় পাওয়া জিম্বাবুয়ের এই পরাজয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ আরও জমে উঠেছে। আগামী ২১ অক্টোবর শারজাহতে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ফাইনালে উঠতে হলে বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি রান রেটের হিসাবও মেলাতে হবে বাংলাদেশকে। অন্যদিকে, আফগানিস্তান জিতলে জিম্বাবুয়েকে সঙ্গে নিয়ে ফাইনালে উঠবে তারা।

দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন সেদিকুল্লাহ আতল।

জেন জি কেন ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করছে?

জিম্বাবুয়েকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বাংলাদেশের ‘উপকার’ করল আফগানিস্তান

প্রকাশের সময় : ০১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। ব্যাট হাতে সেদিকুল্লাহ আতলের সেঞ্চুরি ও ইব্রাহিম জাদরানের ৯০ রানের ইনিংসের পর বল হাতে রশিদ খানের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। এই জয়ে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য খুলে দিয়েছে সম্ভাবনার দরজা।

ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ২৯৪ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০২ রান করেন সেদিকুল্লাহ আতল। ১১০ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান এই বাঁহাতি ব্যাটার। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক। অন্যদিকে, ইব্রাহিম জাদরান ৯৬ বলে ৯টি চার ও ২টি ছক্কায় করেন ৯০ রান।

দ্বিতীয় উইকেটে আতল ও জাদরান মিলে ১৪০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। তাদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের ভিত পায় আফগানিস্তান। তবে জাদরান আউট হওয়ার পর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। অধিনায়ক রহমত শাহ ৭ এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৮ রান করে ফেরেন।

এক প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়লেও দৃঢ়তা ধরে রাখেন আতল। হাসমতউল্লাহ শাহিদির সঙ্গে ৪২ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ বাড়ান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪৪তম ওভারে তিন রান নিয়ে শতক পূর্ণ করেন আতল। পরে তিনি আউট হলে আফগানিস্তানের ইনিংসের গতি কমে যায়। জিম্বাবুয়ের হয়ে আর্নেস্ট মাসুকু ও ব্র্যাড ইভান্স ৩টি করে উইকেট নেন। ব্লেসিং মুজারাবানি পান ২টি উইকেট।

২৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। মাত্র ৪৩ রানেই ৪ উইকেট হারায় তারা। ব্রায়ান বেনেট ৩১ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। পরে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্লের জুটি দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখায়। দুজন মিলে ১১২ বলে ৬৪ রান যোগ করেন।

তবে রশিদ খানের ঘূর্ণিতে সেই প্রতিরোধও ভেঙে পড়ে। ৮ ওভার ১ মেডেন বল করে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন এই তারকা লেগ স্পিনার। তার বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায়। শেষ ৬ উইকেট হারাতে দলটি মাত্র ২৯ রান যোগ করতে পারে। শেষ পর্যন্ত ১৩৬ রানেই অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজা করেন দলের সর্বোচ্চ ৪৮ রান, আর বার্লের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান।

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের জয় পাওয়া জিম্বাবুয়ের এই পরাজয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ আরও জমে উঠেছে। আগামী ২১ অক্টোবর শারজাহতে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ফাইনালে উঠতে হলে বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি রান রেটের হিসাবও মেলাতে হবে বাংলাদেশকে। অন্যদিকে, আফগানিস্তান জিতলে জিম্বাবুয়েকে সঙ্গে নিয়ে ফাইনালে উঠবে তারা।

দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন সেদিকুল্লাহ আতল।